টেক ইন্ডাসট্রি
Now Reading
চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে বাংলাদেশ ভালো অবস্থান তৈরি করতে পারবে
0

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে বাংলাদেশ ভালো অবস্থান তৈরি করতে পারবে

by Arif Ur Rahmanনভেম্বর ২৬, ২০১৯

স্মার্ট সিটি, স্মার্ট কৃষি, স্মার্ট ক্যাম্পাস এবং তথ্যায়নকে প্রযুক্তির সর্বশেষ সুবিধার আওতায় নিয়ে এসে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে বাংলাদেশ ভালো অবস্থান তৈরি করতে পারবে, বলেছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান।তিনি যুক্ত করেন, আমরা এখন ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবতায় বাস করছি। কিন্তু বিশ্বে এখন চলছে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব। সেই বিপ্লবে বাংলাদেশ অংশ নিতে শুরু করেছে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ডিজিটাল সামিট ২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা জানিয়েছেন।তিনি বলেন, ২০০৮ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণা করা হয়। এরপর ২০১১ সালে এসে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে অংশ নেবার কথা বলে আসছে বাংলাদেশ। সেই বিপ্লবে অংশ নিতে শুরুও করেছি আমরা। সেটা আরও ফলপ্রসূ করতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুরাদ হাসান বলেন, বাংলাদেশ এখন কৃষিতে প্রযুক্তির সর্বশেষ সুবিধা ব্যবহারের চেষ্টা করছে। এছাড়াও স্মার্ট সিটি, স্মার্ট ক্যাম্পাস এবং তথ্যায়নে জোর দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে আমরা একটা নতুন দিগন্তে প্রবেশ করছি।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন চাইনা ইলেক্ট্রনিক্স টেকনোলজি কোম্পানি লিমিটেডের ভাইস প্রেসিডেন্ট  লিলি গং। তিনি বলেন, তারা বাংলাদেশের ডিজিটালাইজেশনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক  মামুন-অর-রশিদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, আমরা এখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সময়ে প্রবেশ করেছি। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নে আমাদের অবশ্যই স্মার্ট ক্যাম্পাস তৈরি করতে হবে।

তিনি জানান, বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে এখন সময়োপযোগী সব বিষয় যুক্ত করছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়। দেশের ডিজিটালাইজেশনে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্মার্ট ক্যাম্পাস তৈরিতে জোর দিচ্ছে বলেও জানান।দেশে কৃষি নিয়ে বেশকিছু উদ্ভাবন করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশ ডিজিটাল সামিটে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন মিয়া বলেন, কৃষিতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে স্মার্ট কৃষির প্রবর্তন করে আমরা চতৃর্থ শিল্প বিপ্লবে অংশ নিতে চাই।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ও কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক মাহফুজুল ইসলাম, সামিটের আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. রশীদুল হাসান, এআইআইএম গ্লোবাল লিমিটেডর সিইও সৈয়দ আকরাম হোসেন।দিনব্যাপী সামিটটি যৌথভাবে আয়োজন করেছে এশিয়ান নেটওয়ার্ক অব সাউথ ভলান্টিয়ার্স সোসাইটি (এএনওয়াভি), দ্য চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ কর্পোরেশন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন বাংলাদেশ।

What's your reaction?
Love It
0%
Interested
0%
What?
0%
Hate It
0%
Sad
0%
About The Author
Arif Ur Rahman