টেক ইন্ডাসট্রি
Now Reading
চীনের সরকারি অফিসে বন্ধ বিদেশি কম্পিউটার
0

চীনের সরকারি অফিসে বন্ধ বিদেশি কম্পিউটার

by Arif Ur Rahmanডিসেম্বর ১০, ২০১৯

প্রায় অনেকদিন ধরেই বহির্বিশ্ব থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিতে শুরু করেছে চীন। সাধারণ জনগণকে গুগল, ফেইসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপসহ অনেক প্ল্যাটফর্মই তারা ব্যাবহার করতে দেয় না। এখন সরকারি অফিসে বিদেশি কম্পিউটার বা সফটওয়্যার ব্যবহারের উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে চীন সরকার। চীনের এমন সিদ্ধান্তে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ডেল, এইচপি ও মাইক্রোসফটের মতো মার্কিন কোম্পানিগুলো।চীন সরকার জানিয়েছে, এখন থেকে সরকারি অফিসে শুধু চীনে তৈরি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ব্যবহার করা যাবে। বিদেশি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিবর্তনের জন্য সর্বোচ্চ ৩ বছর সময় বেধে দেওয়া হয়েছে।

এ সংক্রান্ত একটি নীতিমালাও তৈরি করেছে দেশটির সরকার। নীতিমালাটির নাম দেওয়া হয়েছে ৩-৫-২। কারণ আগামী বছরের মধ্যে ৩০ শতাংশ, ২০২১ সালের মধ্যে ৫০ শতাংশ এবং ২০২২ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ বিদেশি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সরানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে তারা।নির্ধারিত এই সময় সীমার মধ্যে সব হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিবর্তন করাটা বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। কারণ বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ কম্পিউটারই উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চলে। চীনেও উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বেশ জনপ্রিয়।

চীন সরকারের এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় কোম্পানিগুলো লাভবান হবে। তবে কম্পিউটারের প্রসেসর, হার্ড ড্রাইভ, সফটওয়্যার সবই যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলো সরবরাহ করে থাকে। ফলে এতো অল্প সময়ের মধ্যে সব কিছুর বিকল্প তৈরি করা সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।ঠিক কী কারণে এমন নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে তার কারণ জানায়নি চীনের পররাষ্ট্রে মন্ত্রণালয়। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রকে শিক্ষা দিতে কিংবা নিজেদেরকে নিরাপদ রাখতে তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।গত মে মাসে হুয়াওয়ের সঙ্গে মার্কিন কোম্পানিগুলোর বাণিজ্যিক চুক্তির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিলো যুক্তরাষ্ট্র সরকার। পাল্টাপাল্টি এসব নিষেধাজ্ঞা চীন-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধেরই একটি অংশ বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।

What's your reaction?
Love It
0%
Interested
0%
What?
0%
Hate It
0%
Sad
0%
About The Author
Arif Ur Rahman